হানিকুইনে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি অর্জন
আর বিদেশের ফলের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি
বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে সুনামগঞ্জের দুর্গম অঞ্চলের সুমিষ্ট আনারস হানিকুইন। তবে দীর্ঘ
সময় আলোচনায় না থাকায় সেভাবে পরিচিতি পায়নি বিশেষ এই আনারস।
ওপারে ভারতের মেঘালয়ের পুণ্যনগর
এলাকা, এপারে বাংলাদেশের রঙ্গারচর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি জনপদ হাসাউড়া, রসুলপুর
ও দর্পগ্রাম। সবুজ টিলার ভাঁজে ভাঁজে যতদূর চোখ যায়, কেবলই আনারসের বাগান। বছরের পর
বছর ধরে এই অঞ্চলের কৃষকেরা চাষ করে আসছেন বিশেষ এক জাতের আনারস, যা স্বাদ, সুগন্ধ
ও গুণগত মানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যে সুস্বাদু ফল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
স্থানীয়ভাবে এটি হাসাউড়ার আনারস নামে পরিচিত হলেও এর আসল জাত হানিকুইন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিক
সরকারি উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই আনারস দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা
সম্ভব। এর মৌসুমের শুরু মে মাস থেকে। যখন বাগানে ফল সংগ্রহ শুরু হলেও জুন মাসের এই
ভরা বর্ষায় হাসাউড়ার টিলাগুলো পাকা আনারসের গন্ধে ভরে ওঠে। এ সময় ক্রেতা-বিক্রেতার
উপস্থিতিতে মুখর সীমান্তবর্তী এই জনপদ। সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে
উৎপাদিত এই আনারসে আঁশের পরিমাণ কম, রস বেশি এবং স্বাদে মধুর মতো মিষ্টি।
No comments yet
Be the first to join the discussion.